নিখোঁজের দীর্ঘ ০৩ বছর পর ভিকটিমকে উদ্ধার করেন-পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস।

প্রকাশিত: 12:01 AM, November 26, 2020

গোলাম কিবরিয়া পলাশ, ময়মনসিংহ।।
ময়মনসিংহ পিবিআই পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস এর দিক নির্দেশনায় প্রতিদিন নিয়মিত বিভিন্ন অপরাধ কর্মকান্ডসহ গুরত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটন ছাড়াও অজ্ঞাত লাশ সনাক্ত, করে থাকে পিবিআই পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন।

জানা গেছে, গত ০৭/০৯/২০১৭ খ্রিঃ সকাল অনুমান ০৮.০০ ঘটিকায় হাসনা বেগম (৪০), স্বামী মোঃ জিন্নত আলী (৪৮), সাং-চরগোবদিয়া, থানা-কোতোয়ালী, জেলা-ময়মনসিংহ হঠাৎ বাড়ী হতে নিখোঁজ হয়ে যায়।

নিখোঁজের পর ভিকটিমের স্বামী আত্মীয়-স্বজনসহ সম্ভাব্য সকল জায়গায় তার স্ত্রী হাসনা বেগমকে খোজাখুজি করেন। কিন্তু কোথাও তার স্ত্রীকে খুঁজে না পেয়ে ০৮/০৯/২০১৭ খ্রিঃ কোতোয়ালী থানায় একটি জিডি (নং ৪৯৪/১৭) করেন।

কোথাও স্ত্রীর কোন হদিস না পেয়ে ভিকটিমের স্বামী মোঃ জিন্নত আলী বাদি হয়ে বিজ্ঞ আদালতে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী থানার সিআর মামলা নং-১১৯/২০২০, ধারা-নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সং/০৩) এর ৭/৩০ এ মামলা দায়ের করেন।

মামলার বাদি জিন্নত আলীর অভিযোগ একই গ্রামের মৃত বেনজামুল সরকারের ছেলে আমজাদ হোসেন সরকার হরফে টুটুল মিয়া (৪৫), আমার স্ত্রীকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে।

অভিযোগের ভিত্তিতে বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে গত ০১/১০/২০২০ খ্রিঃ পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন পিবিআই ময়মনসিংহ জেলায় মামলাটি গৃহীত হয় এবং মামলার তদন্তভার এসআই (নিঃ) মোঃ সুমন মাহমুদ এর উপর অর্পণ করা হয়।

পিবিআই পুলিশ সুপার এর নির্দেশে তদন্তকারী কর্মকর্তা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অদ্য ২৫/১১/২০২০ খ্রিঃ সকাল ১০.৩০ ঘটিকার সময় গাজীপুর জেলার শ্রীপুর থানাধীন পাথারপাড়া গ্রামের ভাড়া বাসা হতে ভিকটিম হাসনা বেগমকে উদ্ধার করেন।

আজ ভিকটিম হাসনা বেগমকে নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২২ ধারায় জবানবন্ধি লিপিবদ্ধ করানোর জন্য বিজ্ঞ আদালতে উপস্থাপন করা হয়।