সেদিনের অশ্রুসিক্ত পিতৃহারা কন্যাটিই আজকের বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রী লৌহ মানবী শেখ হাসিনা বিশ্ববাসীর দেওয়া যার শত উপাধি

প্রকাশিত: 8:47 PM, November 11, 2020
হুমায়ুন আহমেদ,ষ্টাফ রিপোটার //
আমরা হাসবো প্রাণভরে,
এগিয়ে যাবে দেশ হাসিনার হাত ধরে।
অনেক অর্জনে আমরা পুলকিত,
মমতাময়ী নেত্রী আপনাকে নিয়ে আমরা গর্বিত।
বেঁচে থাকুন দীর্ঘদিন আপনার হাত ধরেই বাংলাদেশে আসবেই সুদিন। ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা নিরন্তর
মানবতার মহান ত্যাগে তুমি বিশ্ব জননী,
বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর সময় শেখ হাসিনা ছিলেন বেলজিয়ামের একটি এয়ারপোর্টে ইমিগ্রেশন অফিসার শেখ হাসিনার পাসপোর্ট দেখে ভ্রূ কুচকে বললো, তুমি কী বাংলাদেশী।  পিতার মৃত্যু শোকে কাতর কন্যা অনেক কষ্টে হ্যা সুচক মাথা নাড়লে ওই অফিসারটি বললো , “তোমরা কেমন অকৃতজ্ঞ জাতি? যে মুজিব নিজের জীবন কে তুচ্ছ করে তোমাদের স্বাধীনতা এনে দিলো সেই তাকেই কিনা তোমরা এমন নির্মম ভাবে হত্যা করে ইতিহাসে এমন নজীরের জন্ম দিলে’ শেখ হাসিনা আর পারলেননা নিজেকে ধরে রাখতে, শোক কে পারলেননা দমিয়ে রাখতে, আকাশ বাতাস কে কাঁদিয়ে চিৎকার করে মাতম শুরু করলেন, সেদিন তাকে শান্তনা দেওয়ারো ছিলনা পাশে কেউ।
এক অসহায়, সহায় সম্বলহীন নারীর আর্তনাদের নীরব সাক্ষী হয়ে রইলো বেলজিয়ামের সেই এয়ারপোর্ট। যাযাবরের জীবন হয়ে গেলো বঙ্গবন্ধু কন্যার , এই দেশ থেকে সেই দেশ , এক জায়গা থেকে আরেক জায়গা পালাতে পালাতে অবশেষে ঠাই হোলো কলকাতার এক টিনের কুঠিরে। যিনি দেশকে স্বাধীনতা এনে দিলেন, পতাকা দিলেন, জাতীয় সংগীত দিলেন, ভাষা দিলেন, আইন দিলেন,জাতীয়তা দিলেন সেই তিনি অযত্নে অবহেলায় শুয়ে রইলেন গোপালগঞ্জের এক নিভৃত পল্লীতে। আর তার কন্যা অনাদরে অপমানে নির্বাসিত হয়ে রইলেন প্রতিবেশী রাষ্ট্রের এক অন্ধকার কুটীরে। তখনকার বাংলাদেশে ঠাই হলো গোলাম আজমের, পুনর্বাসন হলো একে একে সব রাজাকারের কিন্তু স্বদেশের মাটিতে অবাঞ্চিত হয়ে রইলেন বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনা। বিশ্ব নন্দিত রাজনৈতিক নেতা।
বর্তমানে বিশ্বের আলোচিত মানবতা ও শান্তির অগ্রদূত। চিন্তার কলম থেকে ১৮ কোটি মানুষের চোখে। শত বাঁধা পেরিয়ে জীবনকে হাতের মুঠোয় নিয়ে বন্ধুর পথ পেরিয়ে সেদিনের অশ্রুসিক্ত পিতৃহারা কন্যাটিই আজকের বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রী লৌহ মানবী শেখ হাসিনা বিশ্বের দেওয়া যার শত উপাধি লেডি অফ ঢাকা,প্রাচ্যের নতুন তারকা,বিশ্বের নেতা,বিরল মানবতাবাদী নেতা,বিশ্ব মানবতার বিবেক,বিশ্ব মানবতার আলোকবর্তিকা,মাদার অফ হিউম্যানিটি,
কারিশম্যাটিক লিডার,নারী অধিকারের স্তম্ভ,বিশ্ব শান্তির দূত,মানবিক বিশ্বের প্রধান নেতা,জোয়ান অফ আর্ক। দেশের ইতিহাস কে তিনি আবার ফিরিয়ে আনলেন, দেশের মুখে তিনি আবার হাসি ফুটাতে শুরু করলেন, রাজাকারদের তিনি ফাঁসীর দড়ির দিকে টেনে টেনে নিয়ে যেতে থাকলেন , দেশে আবার ও জয় বাংলার সুবাস ছড়াতে লাগলেন। এমন দিনে আমরা শুধুই তার সমালোচনা নয়, বন্ধু হিসেবে তার পাশে দাড়িয়েছি, কর্মী হিসেবে তার সংগে আছি এবং শুভানুদ্ধায়ী হিসেবে তারই সাথে চলছি। যে বা যারা অতি বুদ্ধির জন্য পথ হারাচ্ছেন তাদেরকে আবারও সঠিক পথের যাত্রী হবার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।
মানবতার নের্তীর বিশ্বশান্তি অগ্রদূত মানবতার ফেরিওয়ালা  দেশরত্ন জননের্তী শেখ হাসিনা।
জয় বাংলা,
জয় বঙ্গবন্ধু, 
জয় শেখ হাসিনা।