রাজশাহীতে ধর্ষন মামলায় অভিযুক্ত ছেলেকে নির্দোষ দাবি করে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত: 5:17 PM, October 15, 2020

সৌমেন মন্ডল,রাজশাহী ব্যুরো //  রাজশাহী দরগাহ পাড়া ব্যবসায়ী মনিরুজ্জামান মান্নার বিরুদ্ধে আনিত ধর্ষনের অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবী করেছেন তার মা হাসিবা পারভীন। আজ দুপুরে রাজশাহী সিটি প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি ছেলেকে নির্দেশ দাবী করেন। যা পিবিআই ও পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে মিথ্যা প্রমানিত হয়েছে বলে তিনি দাবী করেন। অভিযুক্তর মা আরো দাবী করেন মামলার বাদিনী ধর্ষণের তারিখ গত ১২ জানুয়ারী উল্লেখ করেছেন। কিন্তু সে সময় ছেলে চিকিৎসা করাতে বিদেশে অবস্থান করছিলো। এছাড়া বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশ মামলাটি তদন্ত করতে গিয়ে ধর্ষণ করার জন্য যে বাসাটিকে ঘটনাস্থল বলে উল্লেখ করেছে, সে বাসায় কখনোই শামীম নামের ভাড়াটিয়া ছিলেন না বলে পুলিশের কাছে জবানবন্দি দিয়েছেন বাসার মালিক শরিফুল ইসলাম। এতেই প্রমানিত হয় মামলাটি মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমুলক। তবে হাসিবা পারভীন স্বীকার করেন অভিযোগকারীর সাথে তার ছেলের পরিচয় হয় ২০১৫ সালে। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠে। ২০১৭ সালে পাপিয়া তার ছেলেকে কিছু না জানিয়ে ঢাকায় চলে যায়। ফলে তাদের মধ্যে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় তিন বছর পর অভিযোগকারী পুনরায় তার সাথে যোগযোগের চেষ্টা করে। এসময় তার ছেলে মান্না অভিযোগকারীকে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। অভিযোগকারী তার ছেলের সাথে যোগাযোগ করতে ব্যর্থ হয়ে গত ৫ আগষ্ট সন্ধ্যায় ৫টি মোটর সাইকেলে ১২জন অপরিচিত যুবকদের সাথে নিয়ে তার বাসায় প্রবেশ করে। সে সময় আমার ছেলের সাথে অভিযোগকারীর কথা কাটাকাটি হয়। তার বাসা থেকে অভিযোগকারী তার বন্ধুদের নিয়ে চলে যাওয়ার সময় মান্নাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। অভিযোগকারী তার পরের দিন গত ৬ই আগষ্ট বোয়ালিয়া মডেল থানায় তার ছেলে মান্না ও মেয়ে শিলা’র নামে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। ওই দিনই মান্নাকে আমাদের বাসা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এর আগে অভিযুক্ত মান্না অভিযোগকারীর দারা বিপদগ্রস্থ হতে পারে সেটা আশংকা করে ২০১৭ সালের ২৬ এপ্রিল বোয়ালিয়া মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী দায়ের করেন।

ধর্ষকের সর্বচ্চো শাস্তি মৃত্যুদন্ডকে স্বাগত জানিয়ে অভিযুক্ত ব্যবসায়ী মনিরুজ্জামান মান্নার মা হাসিবা পারভীন প্রধানমন্ত্রী,স্বরাষ্ট্রমান্ত্রী ও আইনমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, যে সব মেয়ে ধর্ষণের নাটক সাজিয়ে ফায়দা লুটার চেষ্টা করছে, ধর্ষণ প্রমান না হলে সে সব মেয়ের বিরুদ্ধে কি শাস্তির ব্যবস্থা আছে।

এদিকে অভিযোগকারী তার বিরেুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, পুলিশ ও ডাক্তার তার বিরুদ্ধে ভুল রিপোর্ট দিয়েছে।