কিশোরের জীবন বিপন্ন ড্রাগ লাইসেন্স বিহীন ফার্মেসীর মালিক সোহাগের জ্ঞানহীনতর জন্য!

প্রকাশিত: 1:19 PM, July 29, 2020

দেবিদ্বার প্রতিনিধিঃ

 

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার গোপালনগর গ্রামে মায়ের সাথে অভিমান করে অধিক মাত্রায় ঘুমের ঔষদ সেবন করে আত্নহত্যা করতে চেয়েছিল গোপালনগর গ্রামের আবুল বাসারের ছেলে মাসুম সরকার(১৭)নামে এক কিশোর ।

 

 

পারিবারিক সুত্রে জানা যায়,সোমবার দুপুরে মায়ের সাথে অভিমান করে বিকাল ৩ টার সময় গোপালনগর বাজারের সোহাগ ফার্মেসী থেকে এপ্রিটা ০.৫ নামে অধিক মাত্রার ঘুমের ঔষদ ক্রয় করে মাসুম সরকার । পরে একসাথে ১০টি ঔষদ একসাথে সেবন করে । সেবনের পরপরই অচেতন অবস্থায় কিশোর মাসুমকে পড়ে থাকতে দেখলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাড়ীতে নিয়ে আসে।
মাসুম সরকার মা অভিযোগ করে বলেন, কোনো প্রকার ডাক্তারী প্রেসক্রিপশন ছাড়াই আমার কিশোর ছেলের কাছে এই ধরনের ঔষদ বিক্রি করা হয়েছে । আজকে যদি আমার ছেলে মারা যেত তার দায়ভার কার ছিল ।

 

স্থানীয় এলাকাবাসী বলেছে,সোহাগ ফার্মেসী সহ আরো বেশ কয়েকটি ঔষদের দোকান কোনো প্রকার ডাক্তারী চিকিৎসাপত্র ছাড়াই এইসব ঔষদ দেদারসে বিক্রি করা হচ্ছে । ঔষদ যেমন মানুষকে বাচাঁয় তেমনি ঔষদের অপচিকিৎসার কারনেই মানুষের মৃতূ হচ্ছে ।

 

পরিবার ও স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে সোহাগ ফার্মেসীতে গেলে ফার্মেসীর মালিক সোহাগ মিয়া ঘটনার সতত্যা নিশ্চিত করে বলেন,মাসুম ছেলেটি অনেক ভদ্র স্বভাবের, সে সোমবার বিকালে আমার দোকানে আসে এবং ঘুমের ঔষদ দিতে বলে তার কথামত আমি তাকে ঔষদ দেই । ডাক্তারী চিকিৎসাপত্র ছাড়া এই ধরনের স্পর্শকাতর ঔষদ বিক্রির বিষয়ে জানতে চাইলে সোহাগ বলেন গ্রাম অঞ্চলে এইভাবেই ঔষদ বিক্রি হয় । পরে ফার্মেসীর ড্রাগ লাইসেন্স দেখতে চাইলে ,লাইসেন্স নাই বলে জানান ।

 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন প্রত্যেকটি ঔষদের একটা নিদিষ্ট মাত্রা রয়েছে,মাত্রার চেয়ে অধিক সেবন স্বাস্থের জন্য যেমন ক্ষতিকারক তেমনি রয়েছে মৃতূ ঝুকি । প্রেসক্রিপশন বিহীন কোনো ফার্মেসী কোনো প্রকার ঔষদ বিক্রি করতে পারবে না।