দৈনন্দিন জিবনে এইভাবেই নিরন্তর ছুটে চলা আমার প্রত্যেকটি কাজের মাধ্যেমে

প্রকাশিত: 11:25 AM, July 22, 2020

স্টাফ রিপোর্টার নয়ন ঘোষ:
মোঃ রাইয়ান চৌধুরীর লেখাঃ কাজ এভাবেই মানুষকে বাঁচায়। কাজ দিয়েই আমরা দুঃখকে অতিক্রম করি, দুর্ভাগ্যকে জয় করি। যে যত বেশি কাজ করে সে তত হতাশামুক্ত, দুঃখ-যন্ত্রণাহীন ও আনন্দপূর্ণ। প্রতিটা কাজই জীবনে কমবেশি সাফল্য নিয়ে আসে। সাফল্য মানেই আনন্দ। তাই কাজ মানেও আনন্দ। একজন মানুষ যত কাজ করবে তত তার জীবনে আনন্দ বাড়বে।

 

কথায় আছে কাজ করতে করতে মানুষ বড়জোর ক্লান্ত হয়, কিন্তু কাজ না করতে করতে সে হয়ে পড়ে হতাশ ও বিষণ্ন।

 

আনন্দময় কর্মব্যস্ততা শরীর-মন দুয়ের জন্যেই স্বস্তিদায়ী ও স্বাস্থ্যকর। ফলপ্রসূ ব্যস্ততা দেহ-মনকে রাখে সুস্থ ও প্রাণোচ্ছল। দূর হয় মনের মেঘ। যাবতীয় আলস্য ও নেতিচিন্তা-হতাশা-বিষণ্নতাকে বিদায় করে ঝেঁটিয়ে। জীবন হয়ে ওঠে সুখী ও সার্থক।

 

ব্যস্ত দিনের শেষে ঘুম হবে ভালো এবং মনও থাকবে সতেজ ও থাকতে পারা যায় উদ্যমী।নিত্যনতুন দক্ষতার বিকাশ ঘটে সহজেই।

 

কাজে অনেক সময় আনন্দ পাই না বলে আমরা যে কখনো-সখনো হা-হুতাশে ভুগি না তা নয়; কিন্তু জেনে রাখুন, আজকের গতিময় পৃথিবীতে ব্যস্ত মানুষের কদর বেশি। আপনি ব্যস্ত, অতএব আপনি একজন গুরুত্বপূর্ণ মানুষ। অন্যদিকে অলস মানুষের সময় কাটে অনর্থক গালগল্প আর ঠুনকো বিনোদনে। জীবনে যা কেবল দুর্গতিই বাড়ায়।
দৈনন্দিন কাজের ফাঁকে বা পেশাগত জীবন শেষে নিছক অলস অবসরযাপন নয়, বরং যতটা সম্ভব কর্মব্যস্ত থাকুন। আনন্দ খুঁজে নিন সেবায়। ব্যস্ত থাকুন সৃষ্টির কল্যাণে। জিকির করুন মহান রাব্বুল আলামিন এর। মনোদৈহিক সুস্থতার জন্যেই জরুরি এই কর্মসম্পৃক্ততা।

 

তাই যথাসাধ্য ব্যস্ত থাকুন-ইতিবাচক ফলপ্রসূ কাজ দিয়ে আর সঙ্ঘবদ্ধ সেবায়। নিয়মিত ৫ ওয়াক্ত নামায আর সকালে পবিত্র কুরআন পড়ুন, সুস্থ জীবনাচার ও সুপরিকল্পিত দৈনন্দিন রুটিন হোক আপনার কর্মব্যস্ত জীবনের অনুপ্রেরণা। থাকুন সুস্থ। জীবন হোক সুখ ও সার্থকতায় পূর্ণ।