দেবিদ্বার জাফরগঞ্জে প্রেম করে বিয়ের আগে বাচ্চা এতপর বিয়ে তিন মাস পার হতে ছারাছাড়ি

প্রকাশিত: 9:04 PM, June 28, 2020

নিজস্ব প্রতিবেদক // কুমিল্লা উত্তর জেলা দেবিদ্বার উপজেলার জাফরগঞ্জ ইউনিয়ন এর খয়রাবাদ গ্রামে প্রেম সংগঠিত বিষয়কে কেন্দ্র করে, বিয়ের আগে বাচ্চা, এতপর বিয়ে,তিন মাস পার হয়ে গেলে ছারাছাড়ি হয় এমন অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনার সূত্রে জানা গেছে খয়রাবাদ আহমদী সরকার বাড়ির শহিদ হোসেনের ছেলে খায়ের আহমেদ এর অবৈধ রিলেশন গড়ে ওঠে একই বাড়ির জসিম উদ্দিনের মেয়ে নাদিয়া আক্তারের সাথে রিলেশন চলা অবস্থায় মেয়েটা অন্তঃসত্ত্বা ছিলো তার দাদির হাতে ধরা পরে, বিষয়টা জানাজানি হলে গর্ভে ধারনকৃত বাচ্চাটাকে নষ্ট করে ফেলার জন্য জোরজবস্তি করে খয়রাবাদ এলাকার মেম্বার সহ ছেলের পরিবার ও তাদের কিছু আত্মীয়-স্বজন।

 

ছেলের ভাই কাউসার , রুহুল আমিন,ও স্থানীয় মেম্বার আব্দুল রশিদ বিষয়টাকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য,কিছু টাকা দিয়েছিল মেয়ের পরিবারকে, কিন্তু মেয়েটা ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার কারণে বাচ্চাটাকে এবরশ্যন করানো যাবে না বলে জানিয়েছেন ডাক্তার।

 

সুশীল সমাজের ব্যক্তিদের সাহায্যে পাঁচ দিনের বাচ্চা সহ ছেলে খায়ের আহমেদ ও মেয়ে নাদিয়া আক্তারের বিয়ের কার্য সম্পন্ন হয়,কিন্তু ছেলে সহ ছেলে পক্ষের কেউই এই বিয়েতে রাজি ছিল না।

 

এরই জেরে একের পর এক আক্রমণ চালায় মেয়ে ও তার পরিবারের উপরে, এবং মেয়ের বড় ভাইকে মেরে ফেলবে সহ বাড়ি ঘর পুরিয়ে ফেলার হুমকি দেয় স্থানীয় মেম্বার আব্দুল রশিদ, ছেলের ভাই কাউসার , রমিজ মিয়ার ছেলে হাছান, ফজলু মিয়ার ছেলে স্বপন, ও রুহুল আমিন ।

 

সালিশের নামে এক প্রকার জোরজবস্তি করে মেয়ের পরিবার’কে ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নিতে বাদ্ধ করে মেম্বার ও তার লাঠিয়াল বাহিনী, কাবিনের আড়াই লক্ষ টাকা দিলেও ৩ মাসের বাচ্চাটাকে তার মায়ের কাছে না দিয়ে,মেম্বার ও ছেলে পক্ষ অন্যত্র বিক্রি করে দিয়েছিলো।

 

এমন অভিযোগের ভিত্তিতে, গণমাধ্যমকর্মীরা ছেলের বাড়িতে যাওয়ার পরে,ছেলে সহ পরিবারে সবাই বাড়িঘর তালাবদ্ধ করে পালিয়ে যায়, ঐ দিন রাতেই নোয়াখালী থেকে বাচ্চাটাকে নিয়ে আসে, কিন্ত বাচ্চাটাকে তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেয়া হয়নি ,বরং গণমাধ্যমকর্মীরা কেনো গেলো এজন্যে তাদের মারদর করতে যায় রমিজ মিয়ার ছেলে হাছান, ফজলু মিয়ার ছেলে স্বপন।

 

মেয়ে পক্ষ থেকে, তাদের উপরেই এই অমানবিক নির্যাতনের সুষ্ঠু বিচার ও বাচ্চাটা কে তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেয়ার জন্যে, এবং নিরাপত্তা নিয়ে তাদের গ্রামে বসবাস করতে পারে এ জন্যে প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করেছেন মেয়ের পরিবার।