অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে বার বার ষডযন্ত্রের স্বীকার যুবলীগ নেতা আইয়ুব নবী ফরহাদ।

প্রকাশিত: 2:46 AM, February 23, 2021

আমিরাবাদ ইউনিয়নের সোনাপুর মুহুরী প্রজেক্ট বাদামতলির সাধারন মানুষের উপর হওয়া অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে বার বার ষডযন্ত্রের স্বীকার হয়ে অসংখ্য মামলার আসামী হলেন যুবলীগ নেতা আইয়ুব নবী ফরহাদ।

 

ফরহাদ একজন আওয়ামীলীগ পরিবারের সদস্য এবং ফেনী জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক নিজাম উদ্দিন হাজারি এমপির অনুসারী। ন্যায়, নীতি, কট্টর, প্রতিবাদী, সাহসী আইয়ুব নবী ফরহাদ একাধিকবার বিপদে পড়েও জনপ্রিয় সোনাগাজীতে বিপদেপড়া কর্মীদের আপনজন হিসেবে পরিচিত।

ফেনী-৩ আসনের সাবেক সাংসদ হাজী রহিম উল্লাহ বাহিনীর অত্যাচারে যখন সোনাপুর-মুহুরী প্রজেক্টসহ আশেপাশে এলাকায় সন্ত্রাসের নৈরাজ্য চলেছিলো, তখন প্রতিবাদ করেছিলো এই আইয়ুব নবী ফরহাদ।

 

প্রতিবাদ করতে গিয়ে অনেক মামলার আসামী হতে হয়েছে, তার পরিবারকে নির্যাতিত হতে হয়েছিলো, রহিম উল্লাহ বাহিনীর হাত থেকে ফরহাদের ১০ মাসের শিশু সন্তানটিও রক্ষা পায়নি। শুধুমাত্র অত্যাচারী জালিমদের হাত থেকে সোনাপুরের সাধারন মানুষের মুক্তির জন্য সংগ্রাম করেছিলো ফরহাদ।

তেমনি সম্প্রতি ২ নারীর সম্ভ্রম বাঁচাতে এগিয়ে আসলে সাংবাদিক শরিয়ত উল্লাহর সাথে ভুলবোঝাবুঝি হলেও পরে উভয়ে বুঝতে পারে, কিন্তু সোনাপুরের কিছু কুচক্রি মহল ফরহাদ কে ফাঁসানোর জন্য অনেক ষডযন্ত্র করে যাচ্ছে।

 

আইয়ুব নবী ফরহাদ জানান, ফেনী জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক নিজাম উদ্দিন হাজারি এমপির নেতৃত্ব ফেনী জেলা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় আমার এলাকা শতভাগ সন্ত্রাস মুক্ত হলেও ষডযন্ত্রকারীরা এলাকার পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার জন্য পায়তারা করছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সোনাপুর সহ আশেপাশের এলাকার মানুষ ফরহাদের কর্মকান্ডে সন্তুষ্ট, ফরহাদের কারনেই সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজরা এলাকায় কোনঠাসা হয়ে আছে তাই এলাকায় ত্রাসের রাজ্ত্ব কায়েম করার জন্য ফরহাদকে সরানোর চেষ্টায় সন্ত্রাসীরা মরিয়া হয়ে আছে।

 

আইয়ুব নবী ফরহাদ আমিরাবাদ ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারন সম্পাদক, সোনাপুর জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি, দুটি মাদ্রাসার দাতা সদস্য এবং হাজী সহাব উদ্দিন এগ্রো ফার্মের চেয়ারম্যান। তার এলাকায় অনেকগুলো ব্যবসা রয়েছে। ন্যায়, নীতি ও আদর্শের সাথে রাজনীতি করা ফরহাদের এলাকায় যথেষ্ট সুনাম রয়েছে।

 

মুহুরী প্রজেক্টের মৎস ব্যবসায়ী শেখ ফরিদ জানান, ফরহাদ যখন এলাকায় ছিলোনা তখন আমরা ঠিকমত ব্যবসা করতে পারিনি, আমাদের মাছের গাডিসহ ছিনতাই হয়ে যেতো, কিন্তু ফরহাদের জন্য এখন আমরা শান্তিতে ব্যবসা করে যাচ্ছি।

 

সোনাপুরের সাধারন মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, ফরহাদ এলাকায় কোন ধরনের অপকর্মকারীকে ছাড় দেয়না বলেই তার শত্রু বেশী, ফরহাদ একজন ভালো মানুষ, সে কোন সাধারন মানুষের সাথে উচ্চ স্বরেও কথা বলেনা, তার শত্রু এলাকার খারাপ লোকেরা, আর এই খারপ লোকরা সাধারন মানুষের জন্য ক্ষতিকর, ফরহাদ কখনোই অন্যায় করেনা এবং অন্যায়কারীকে প্রশ্রয়ও দেয়না।

 

এলাকার কোন মানুষ বিপদে পডলে ফরহাদ তাদের পাশে দাঁডায়। সোনাপুরের প্রবীন আওয়ামীলীগ নেতা মরহুম দুলালের সকল চিকিৎসা করিয়েছিলো তিনি।রিকসা চালক আজিজুল হকের আগুনে পোড়া মেয়ের চিকিৎসা করিয়েছিলো ফরহাদ, এছাডা অনেক মানুষকে আর্থিক সহযোগিতা করেছে তিনি। ফরহাদ সোনাপুরের অনেক খুনী, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, ছিনতাইকারি, ধর্ষক, ইভটিজারকে পুলিশে দিয়েছেন।

 

আইয়ুব নবী ফরহাদ আরো জানান, আমার ব্যক্তিগত কোন মামলা নেই সবগুলো মামলা হাজী রহিম উল্লাহর দেওয়া আমি ২০১৮ সালে ফেনী আদালতে আর্তসমর্পন করে ৩৩ দিন কারাভোগ করে সবগুলো মামলার জামিন নিয়েছি, আমি সোনাপুরের সাধারন মানুষের শান্তির জন্য যদি জীবনও দিতে হয় আমি প্রস্তুত ষডযন্ত্রকারীরা আমাকে রুখতে পারবে না আমার বিরুদ্ধে এলাকায় যদি একটা অন্যায় অথবা চাঁদাবাজির অভিযোগ কেউ প্রমান করতে পারে আমি রাজনীতি থেকে সরে যাবো।

 

আমি প্রশাসনের নিকট অনুরোধ জানাচ্ছি সঠিক তদন্ত করে যদি আমার বিরুদ্ধে একটা অভিযোগ প্রমানীত হয় আমি হাঁসতে হাঁসতে জেলে যাবো। পরিশেষে সকলের নিকট দোয়া এবং সহযোগিতা কামনা করছেন আইয়ুব নবী ফরহাদ।

ভোরের কুমিল্লা / এম এস ইউ