মালদ্বীপে অবৈধ প্রবাসীদের বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রী প্রতি খোলা চিঠি প্রবাসী প্রতিনধি জুয়েল খন্দকারের।

প্রকাশিত: 9:04 AM, May 13, 2020

করোনা সংকটের কারনে গত ২৮শে এপ্রিল ২০২০ মালদ্বীপ দেশটি লকডাউন করা হয় এখনো পর্যন্ত মালদ্বীপ দেশটি লকডাউনে আছে। সকল কর্মস্থল থেকে সব অবৈধ প্রবাসীদেরকে ছাটাই করে দেওয়া হয়েছে, বৈধ প্রবাসীদের অনেকের বেতন ৩০ থেকে ৫০% কময়ে দিয়েও খান্ত হয়নি, অস্থায়ী ভাবে ছাটাই করে দেওয়া হয়েছে মালদ্বীভিয়ান আমলা কোম্পানি গুলি থেকে, বিশেষ করে মালদ্বীপের সরকার দলের রিসোর্ট ও হোটেল গুলি সরকার ঘোষণা দিয়েছিলেন রিসোর্ট ও হোটেল গুলির শ্রমকদের ২ মাসের বেতন দিয়ে বসিয়ে দেওয়ার জন্যে কিন্তু মালদ্বীপের মালিকানাধীন কোম্পানি গুলি বেতন না দিয়েই অস্থায়ী ভাবে ছাটাই করে রেখেছেন বাংলাদেশি ও বাহিরের দেশের কর্মীদেরকে কিন্তু অধিকাংশ কোম্পানিতে নিদের দেশের লোকের ২ মাসের বেতন দিয়েও তাদের দেশের কর্মীদেরকে দিয়ে কোম্পানি পরিচালনা করছেন যদিও এতো লোকের প্রয়োজন নেই তার পরেও এদেরকে চাকরীতে রেখেছেন। আর ঈদ বোনাসও দেয়না এই কোম্পানি গুলি বাহিরের দেশের মুসলিম গুলিকে, এরা নিজের দেশের মুসলিমদেরকে দেখে এক চোখে আর বাহিরের দেশের মুসলিমদেরকে দেখে অন্য চোখে এই ঘটনায় প্রমাণ করে দেয়।

কেহ জানতোনা যে এই ভাবে দেশ বিদেশের সবাই ঘরে বসে এতো গুলি দিন থকতে হবে, আর প্রবাসীরা সব সময়ে এক মাসের চলার মতো পকেট খরচের টাকা হাতে রেখে বাকি টাকা দেশে পাঠিয়ে দেয়, কেহ কখনো ভাবেনি যে এমন পরিস্থিতিতে পরতে হবে প্রবাসীদেরকে।

সরজমিনে ঘুরে ঘুরে দেখলেন বর্তমানে মালদ্বীপে অবস্থিত প্রবাসীদের প্রতিনধি হিসেবে প্রবাসীদের সুখ দু:খের সাথী হয়ে অধিকার আদায়ের জন্যে কাজ করে যাচ্ছেন সংবাদ টিভির চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম বিএমএসএফ”র মালদ্বীপ শাখার সভাপতি জুয়েল খন্দকার তিনি সরজমিনে দেখে জানান যে বড় বড় বাহিরের কোম্পানি ও রিসোর্ট গুলি যারা হিন্দু মুসলিমসহ সব দেশের মানুষকে সমান চোখে দেখেম এমন কোম্পানি গুলি ও ফাইব স্টার ও সেভেন স্টার মানের রিসোর্ট গুলিও বর্তমানে খাবার সংগ্রহ করতে পারছেনা লকডাউনে এইসব কোম্পানি ও রিসোর্ট গুলিতেও বাহিরের দেশের লোকেরাই আছে এখন ২ থেকে ৩ টির বেশি রুটি পায়না খাবারের জন্যে, আর মালদ্বীপে ৪টি রুটির সমান বাংলাদেশের একটি পরটার, এই একটি পরটার সমান ৩ টি রুটি খেয়ে কি একটি মানুষ থাকা সম্ভব!

প্রবাসী প্রতিনধি জুয়েল খন্দকার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী হাসিনার প্রতি খোলা চিঠি পাঠান মালদ্বীপে বৈধ প্রবাসীরা তাও ১ টি পরটা সমান ৪টি রুটিও পায়না পায় বেশি হলে ৩ টি রুটি ইফতারের খাবার আর ভোর রাতে ভাতের সময়ে ২ চামচের বেশি ভাত পায়না ৯৫% রিসোর্ট গুলিতে এই খেয়ে কি রোজা রাখবেন নাকি পেটের খিদের জ্বলায় ফাসি দেবেন প্রবাসীরা! আর অসহায় প্রবাসীরা করোনায় মরবেন না এরা খাবার না খেয়ে মরে যাবেন।

তিনি আরো বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আগে মালদ্বীপের অবৈধ প্রবাসী আপনার সন্তানদেরকে দেশে ফিরিয়ে নেন আপনি জানেননা আমার দেশে অবৈধ প্রবাসীদেরকে কতো গিন্না করে মালদ্বীপের মানুষ। আপনি এই দেশে ৮৫ মেট্রিকটন ত্রান পাঠিয়েছেন, আপনি বিশ্বাস করেন এই ত্রানের একটি দানাও আপনার দেশের লোক পায়নি, আপনিতো বাংলাদেশ এম্বাসিকে দিয়ে ছিলেন মালদ্বীপ সরকারকে হস্থান্তর করতে কিন্তু হস্থান্তর করেছেন ঠিকি এই ত্রান এখন কোথায় আছে তারা নিজেরাও বলতে লারবেন না! প্রবাসীদেরকে না খাওইয়ে বাচানোর জন্যে হয়তো আপনি এই খাদ্য সামগ্রী পাঠিয়ে ছিলেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মা শেখ হাসিনা আপনিতো মালদ্বীপ দেশকে গত কিছু দিন আগেও মিনারেল ওয়াটারের সমস্যায় পড়াতে আপনি সবার আগে মিনারেল ওয়াটারের কোলরিং ও মেশিনসহ পাঠিয়ে ছিলেন তার আগেও একবার ত্রান দিয়েছিলেন, গত ৮ বছরে এই নিয়ে ৩ বার সাহায্য করেছেন।

কিন্তু আমাদের দেশের মানুষ না খেয়ে মরে যাবে অবৈধ বাংলাদেশিরা তারাতো আপনারি সন্তান, তারাতো কোন না কোন মায়ের পেটে ধারণ করা সন্তান তাদের মা যখন শুনে সন্তান না খেয়ে আছে তখন সেই মায়ের কেমন লাগে! ইন্ডিয়ার সরকার যদি শিপ পাঠিয়ে ৩ দফা লোক নিয়ে গিয়েছে এখনো চলোমান রয়েছে লোক নেবার জন্যে। ৭৫০ জনে ২ টি শিপ দিয়ে লোক নিচ্ছেন। তাহলে বিশ্বের মমতাময়ী বাংলার মা কেন পারবেনা তার সন্তানদেরকে দেশে নিয়ে যেতে! এখনো অনেক বৈধ বাংলাদেশিরাও আছে যাদের মালিক পক্ষ কোন খোজ খবর নিচ্ছেনা বেতন না দিয়ে অস্থায়ী ছাটাই করে দিয়েছে তাদেরকেও আপনি বাঁচান বাংলার মমতাময়ী দেশ মাতা মা জননী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিন, ইতি আপনার সন্তান প্রবাসীদের প্রতিনিধি বন্ধু জুয়েল খন্দকার।