ঢাকাFriday , 25 June 2021

ভাঙ্গায় ২ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে আইসিটি আইনের মামলা প্রত্যাহার দাবি জানিয়েছে বসকোর নেতারা

Link Copied!

গোলাম কিবরিয়া পলাশ, ময়মনসিংহ।
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ২ সাংবাদিকসহ সারা দেশের সব গণমাধ্যম কর্মীদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টাস ইউনিটি। বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স ইউনিটি ও বাংলাদেশ অনলাইন সাংবাদিক কল্যান ইউনিয়নের বক্তারা বলেন, শুধুমাত্র গণমাধ্যমের কণ্ঠ রোধ করতেই ফরিদপুরের ভাঙ্গায় সাংবাদিক শহিদুল ইসলাম ও সাংবাদিক মনির মোল্লার বিরুদ্ধে গতকাল ২৪ জুন ভাংগা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দেয়া হয়েছে। মামলার বাদী হয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডিএস এফ মানস কুমার দাস।

তিনি জানান, উক্ত দুই সাংবাদিক তাদের ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে এ কারণে ভাঙ্গা থানায় গতকালকে মামলা করেছি।

 

অনুসন্ধানে জানা যায়, হাসপাতালের বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতির সংবাদ সত্য তুলে ধরার কারণে হয়রানি করতেই এই ২ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ডিএসএফ মানস কুমার দাস।

 

বনেকের সভাপতি খায়রুল আলম রফিক বলেন, যাদের বিরুদ্ধে এ মামলা করা হয়েছে তারা ২ জনই ভাঙ্গার পেশাদার সংবাদকর্মী। তারা দু’জন সবসময়ই দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করে আসছে, আর এ কারণেই এই মামলা করা হয়েছে।

 

সাংবাদিকদের নামে ডিজিটাল আইনে করা মামলা প্রত্যাহার না করলে খুব শীঘ্রই সারাদেশে কর্মসূচি দেওয়া হবে।

এই দুই গণমাধ্যম কর্মী নিজ নিজ কর্ম দিয়ে প্রতিষ্ঠিত। তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার নেপথ্য কারণ হতে পারে অন্য গণমাধ্যম কর্মীদের প্রতি একটি মেসেজ, সেটি হলো সত্য লেখা যাবে না।শুধু ভাঙ্গায় নয়, পুরো দেশেই এ অবস্থা বিরাজ করছে। আমরা চাই এ আইনটি ধীরে ধীরে গণমাধ্যমের জন্য কালো আইনে রূপান্তরিত হোক। এ আইন বাতিল করা হোক কিংবা আইনের সংশোধন করা হোক, বিশেষ করে গণমাধ্যম কর্মীদের ওপর যেন এ আইন খড়গে পরিণত না হয়।

বাংলাদেশ অনলাইন সাংবাদিক কল্যাণ ইউনিয়ন বসকোর সভাপতি হাসান আল মামুন বলেন, পূর্বে তথ্য ও প্রযুক্তি আইন নিয়ে সমালোচনা হয়েছিল। পরে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করা হলো। আমরা আইনের বিরুদ্ধে নয়, আইনের অপপ্রয়োগের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছি। সংবিধানে বাকস্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সেই স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ করে। সংবিধান ও ৩২ ধারা সাংঘর্ষিক। এ আইন দুর্নীতিবাজদের রক্ষাকবচ হিসেবে দুর্নীতি করার জন্য উৎসাহ জোগাচ্ছে। এ আইন অবিলম্বে প্রত্যাহার অথবা অসঙ্গতিগুলো সংশোধনের দাবি জানাই।।

error: Content is protected !!