মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১, ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন
ব্র্যাকিং নিউজ :
সুনামগঞ্জের মধ্যনগরকে উপজেলা হিসেবে অনুমোদন দেওয়ায় আনন্দে ভাসছে মধ্যনগরবাসী খানসামা উপজেলায় লকডাউন বাস্তবায়ন ও বাজার মনিটরিং করছেন এসিল্যান্ড মারুফ হাসান ছাতকে লকডাউনের অযুহাতে সিএনজি- অটোরিকশা খাতে চলছে চরম নৈরাজ্য সাপাহারে কর্মহীন ও অস্বচ্ছল পরিবারে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ বিশ্বনাথে স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করায় অর্থদণ্ড RAB-5 এর অভিযানে গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার-১ অবশেষে র‌্যাবের অভিযানে সেই ধর্ষক সোহাগ গ্রেফতার  বিরামপুর পৌরসভায় করোনাকালীন বিশেষ ওএমএস কার্যক্রমের উদ্ধোধন করলেন-পৌর মেয়র আককাস আলী বিশ্বনাথে মাদক সম্রাট তবারক’ আলী গ্রেফতার বিশ্বনাথে প্রেমিকের হাত ধরে উধাও দুই সন্তানের জননী

একনাগাড়ে ৪৫ বছর সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করে শেষ মূহুর্তে উপহার পেলেন বহিষ্কার আদেশ জনমনে নেতিবাচক প্রভাব,

জাহিদুল ইসলাম //
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২০ জুন, ২০২১

জাহিদুল ইসলাম ///

বাকেরগঞ্জে কলসকাঠিতে স্বতন্ত্রপ্রার্থী টিটু খন্দকারকে সমর্থন করার এক মনগড়া গল্পের অযুহাত পেশ পরে দল থেকে সাময়িক সময়ের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে এক নাগাড়ে ৪৫ বছর ধরে অনেক ঝড়-ঝঞ্ঝাট পারি দিয়ে দলকে আজকের অবস্থানে টেনে আনা ইউনিয়নের সবচেয়ে ত্যাগী নেতা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রবীন ব্যক্তিত্ব আব্দুস সালাম তালুকদারকে। সাময়িকভাবে বহিষ্কার করে দলের শৃঙ্খলা ও সুনাম পুনরুদ্ধার করা হয়েছে মর্মে উল্লেখ করে তাঁকে বহিষ্কার করার বিষয় টি কয়দিন ধরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। প্রকৃত অর্থে উক্ত প্রার্থীর পক্ষে তিনি কখনো কোনো দিনই প্রচার প্রচারনায় অংশ নেননি। শুধুমাত্র তার ছেলে মারুফ হাসান কালাম তালুকদার প্রার্থী টিটু খন্দকারের পক্ষে প্রকাশ্যেই কাজ করার ক্ষোভের ফলাফল এটা। বাস্তব চিত্র হলো সালাম তালুকদার অনেকদিন ধরে খুবই অসুস্থ, অচেতন! বিছানায় টয়লেট করছেন, আর এই শারিরীক অবস্থা নিয়েই তিনি বেবাজে নৌকার পক্ষে একটি কর্মী সভাও করেছেন বলে জানা যায়। তারপর ও অকৃতজ্ঞ নৌকার প্রার্থী মুন্না ও তার আশেপাশের কিছু লোকের ইন্দনে উপজেলা আওয়ামী লীগের কিছু নেতাদের মন রক্ষায় ব্যর্থ দুর্বলতাকে পূঁজি করে। দল থেকে তাকে সাময়িক বহিস্কারে অনেকেই উল্লাস প্রকাশ করছেন।

 

অথচ বিগত বহুকাল ধরে এই লোকালয়ের রাজনীতি প্রত্যক্ষ করলে বেড়িয়ে আসবে নানান তথ্য এমপি মাসুদ রেজার আমলে ব্যপক উন্নতি সহ এই জনপথকে ঢেলে সাজানোর কারিগর ছিলেন তিনি। আজকে সবাই মিলে সেই কলসকাঠির উন্নয়নকে হত্যা করে এখন শুধু শাষণ, শোষণ আর চাটাচাটি রাজনীতি বহমান রয়েছে।

 

যা কিনা নিরপেক্ষ দৃষ্টি দিয়ে একটু নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে নজর করলে বিষয় সহজেই সবার নজরকাড়ে। ২০ বছর আগের এই কলসকাঠি আশেপাশের এলাকা অন্য সব এলাকার থেকে ১০ বছর এগিয়ে ছিলো। এখন আশেপাশের জনপথ ব্যাপক উন্নতি হলেও এখানে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি বরঞ্চ ২০ বছর আগের অবকাঠামো টুকুও ধরে রাখতে ব্যার্থ হয়েছেন। বলা যায় আশেপাশের এলাকা থেকে কলসকাঠি এখন ১০ বছর পিছিয়ে পরা বসবাসের অযোগ্য অবহেলিত একটি ইউনিয়ন। আর এর মূলে রয়েছে পরিবার তন্ত্রের একনাগাড়ে ক্ষমতা আঁকড়ে ধরা। ও সরকারি বরাদ্দ লুটপাট।

 

কলসকাঠির রাজনীতিতে আব্দুস সালাম তালুকদারের অবদান কি তা আর নাই বা বললাম নূতন প্রজন্মের কাছে হয়তো এটা সাজানো গল্প।কিন্তু প্রাবীন ব্যক্তিরা মাত্রই স্বীকার করতে বাধ্য এটা কতটা বাস্তব। যাইহোক শেষ সময়ে চেয়ারম্যান নির্বাচন নিয়ে অনেক হতাশাজনক অবস্থায় পরতে হয়েছে তাকে। অনেকেই জানেন না যে, চেয়ারম্যান হবার লোভ যদি তার মধ্যে থাকতো তাহলে অনেক আগেই তিনি চেয়ারম্যান হতে পারতেন সে যোগ্যতা তারছিল। কিন্তু কখনো তিনি সে লোভ করেননি কিন্তু ইদানীং দলীয় কিছু নেতাকর্মীদের ব্যবহার তাঁকে বাধ্য করছিলো।

 

কয়েকদিন আগেও কিছু লোক সালাম তালুকদারকে চেয়ারম্যান প্রার্থী হবার জন্য চাপ দিতো। মুন্না বলদ, গুন্ডা সহ নানান গালি দিয়ে সম্বোধন করতো। এখন মুন্নার নির্বাচনী প্রচারণার সব ছবিতেই তাদের দেখা যায়, এখন সেইসব লোক সারদিন সালাম তালুকদারের বদনাম করে বেড়াচ্ছে। রিভার্স নীতি/চরিত্র হয়তো রাজনীতির একটা অংশ হয়ে গেছে। মুন্নাকে এক সময় সহজসরল মানুষ মনে করে অনেক স্নেহের দৃষ্টিতে দেখছেন। কিন্তু তিনি রাজনীতিতে আসার আগেই এখানকার বিখ্যাত কিছু চাটাপার্টি তাকে ঘিরে ফেলেছে৷ অনবরত ভুল বুঝাচ্ছে তাকে। যার কারণে অনেক লোক তার থেকে দূরে চলে যাচ্ছে আর তাতে চাটাপার্টি আরো রিল্যাক্সে তাকে ঘিরে ফেলেছে। এই চক্রবুহ্য ভেদ করে বের হওয়া তার জন্য খুবই কঠিন ছিলো যে কারণে আপন সন্মান রাখতে তিনি পিছিয়ে যান।

 

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গে করলে দলের পক্ষ থেকে শাস্তি পেতে হবে এটাই স্বাভাবিক। সালাম তালুকদারের যুগের আওয়ামীলীগ আর এই আওয়ামিলীগ এখন অনেক ভিন্ন এটা দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হলো। দলীয় শৃঙ্খলা এখন এমন এক প্রাণী যা সহজে মরে না। সুদ ঘুষ গুন্ডামী দুর্ব্যবহারে মরেনা, গর্ভধারিণী মাকে ঘর থেকে বের করে দিলে মরেনা, আপন ভাইকে ঘর থেকে বের করলেও মরেনা, গরিবের টাকা মেরে খেলেও মরেনা, রাজনৈতিক যোগ্যতা না থাকলেও মরেনা। তা মরে শুধু অযোগ্য লোককে সমার্থন না করার অযুহাতে দলীয় শৃঙ্খলা নামে। সেটাই প্রমান পাওয়া গেলো ৪৫ বছরের ত্যাগী নিবেদিত প্রান প্রবীন রাজনৈতিক সালাম তালুকদারকে দল থেকে সাময়িক বহিষ্কার আদেশের মাধ্যমে।

এই জাতীয় আরোও নিউজ দেখুন

ফেসবুকে আমরা আমাদের ফলোও করুন

© All rights reserved © 2018-2021 VORERCOMILLA.COM
ডিজানাইনার বাই এ,কে আজাদ
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!