ঢাকাSunday , 29 August 2021

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ছেলের খোঁজ চেয়ে মা’য়ের সংবাদ সম্মেলন

Link Copied!

চাঁপাইনবাবগঞ্জে সদর উপজেলার আলাতুলি ইউনিয়ন থেকে জনাব মোঃ আফজাল হোসেন (৩৭) নামের এক ব্যক্তি ৩ বছর ধরে নিখোঁজ। ছেলের খোঁজ চেয়ে তার মা মোসাঃ খাদিজা বেগম রোববার ২৯ আগস্ট বেলা সাড়ে ১১ টায় মডেল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন।

 

নিখোঁজ মোঃ আফজাল হোসেন গ্রাম কুঠিপাড়া, তানোর থানা, জেলা রাজশাহী তার পিতা জনাব মোঃ তোফাজ্জুল ইসলামের ছেলে আফজাল হোসেন নিখোঁজ ছেলের সংবাদ সম্মেলনে খাদিজা বেগম বলেন প্রায় ১৫ বছর আগে আমার ছেলের সাথে সদর উপজেলার আলাতুলি ইউনিয়নের বকচর এলাকায় মৃত আব্দুর রহমানের মেয়ে মোসাঃ রোকশানারা বর্তমান বয়স (৩২) তার সাথে আমার ছেলে মোঃ আফজালের হোসেনের বিয়ে হয়।বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই আমার ছেলে তার শশুড়-শাশুড়ী বাড়িতে ঘর জামাই হিসেবে থাকতে শুরু করে। তার জাতীয় পরিচয় পত্রে শশুড়- শাশুড়ীর বাড়ি ঠিকানা দেয়া আছে। ২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স বিএসএফ আফজাল হোসেনকে মেরে ফেলেছে বলে আমার ছেলের বউয়ের নিকট থেকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জানতে পারি, সেক্ষেত্রে মোঃ আফজাল হোসেনের মা ছেলের লাশ নেয়ার জন্য আলাতুলির সিমান্তে গিয়ে খোঁজ খবর নিলে এলাকার স্থানীয় লোকজন জানান সেদিন কাউকে বিএসএফ গুলি করে হত্যা করেনি। এখন পর্যন্ত আমার ছেলে আফজালের খোঁজ মিলেনি।

নিখোঁজ আফজাল হোসেনের মা খাদিজা জানান যখন আমার ছেলের খোঁজ চাইতে রোশনারার পরিবারের কাছে বারবার শরনাপন্ন হই। সে সময়ে রোকশানারা আমাদের ৩ জনের বিরুদ্ধে আমিসহ আমার স্বামী মোঃ তোফাজ্জুল ও নিখোঁজ ছেলে মোঃ আফজাল হোসেনের নামে যৌতুকের মামলা দায়ের করে। মোসাঃ খাদিজা আরও জানান আমি জামিনে মুক্তি পেলেও আমার স্বামী আর ছেলে মুক্তি পায়নি। তারা বর্তমানে পরোয়ানাভুক্ত ওয়ারেন্টের আসামি হয়ে পলাতক আছে।আদালতে নির্দেশে তানোর থানা পুলিশ চলতি বছরের এপ্রিল মাসে আমার বাড়ির মালামাল জব্দ ও (ক্রোক) করে।

খাদিজা আরও জানান আমার ছেলের খোঁজ না পেয়ে রোকশানারাসহ তাদের পরিবারের ও ছেলের বউসহ মোট ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করি।তদন্তকারি কর্মকর্তা সাব ইন্সেপেক্টর এসআই মোঃ নজরুল ইসলাম আমার করা মামলায় ৬ জন আসামিদের সাথে লেয়াজোঁ করে আমার বিরুদ্ধে সাক্ষি দেয়ার অতঃপর মামলাটি শেষ হয়। পরে ওই তদন্তকারী কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলাম কোর্টে আমার বিরুদ্ধে অপহরণের মামলাটি মিথ্যা বলে, আমাকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন, তার করা মামলার ভিত্তি না থাকায় আদালত আমাকে জামিনে মুক্তি দেয়। আমি মোসাঃ খাদিজা আদালত থেকে মুক্তি পেলেও মন থেকে মুক্তি পাইনি কারন আমি আমার ছেলের খোঁজ চাই, আমরা সকলেই নির্দোষ আদালত থেকে যৌতুকের মিথ্যা মামলা থেকে পরিত্রাণ চাই।

error: Content is protected !!