ঢাকাFriday , 27 August 2021
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মুরাদনগরে সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ, বিচারকসহ ধর্ষকের বিরুদ্ধে মামলা

Link Copied!

মোঃজুয়েল রানা, মুরাদনগর,কুমিল্লা

কুমিল্লার মুরাদনগরে ১৪ বছরের এক সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। পরিবাররে লোকজন প্রতিবাদ করায় গ্রাম্য মাতব্বরদের মাধ্যমে দেয়া হয়েছে গ্রাম থেকে বের করে দেয়ার হুমকি। এ ঘটনা ধামাচাপা দিতে ৭০ হাজার টাকা ভাগাভাগি করার অভিযোগও রয়েছে ওই মাতব্বরদের বিরুদ্ধে। ঘটনার ১৪ দিন পর ওই ধর্ষক ও বিচারকসহ ৫ জনের মুরাদনগর থানায় মামলা করেছে ওই ছাত্রীর মা।

 

ঘটনাটি গত বৃহস্পতিবার (১২ আগষ্ট) কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার দারোরা ইউনিয়নের কেমতলী গ্রামে ঘটেছে।

 

অভিযুক্ত ওই ধর্ষক কাশেম মিয়া (৫৫) উপজেলার দারোরা ইউনিয়নের পালাসুতা গ্রামের মৃত মতি মিয়ার ছেলে।

 

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী লকডাউনের কারনে স্কুল বন্ধ থাকায় মায়ের সঙ্গে ৩টি ছাগল পালন করতো। প্রতিদিনের মতো মায়ের সঙ্গে ছাগলকে ঘাস খাওয়াতে বাড়ির আঙ্গীনায় নিয়ে যায়। ঘটনার দিন দুপুরে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে সে বাড়িতে আসলে আগে থেকে উৎপেতে থাকা কাশেম মিয়া কিছু বুঝে উঠার আগেই তাকে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। এক পর্যায় ওই ছাত্রী ডাক চিৎকার শুরু করলে অভিযুক্ত কাশেম দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে পাশের বাড়ির লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে।

 

বিষয়টি জানাজানি হলে ওই ছাত্রীর মা-বাবা স্থানীয় মাতব্বরদের কাছে বিচার প্রার্থী হয়। এসময় ওই পরিবারটিকে কোন প্রকার সহযোগীতা না করে উল্টো বিষয়টি ধামাচাপা দিতে বলা হয়। পরে সঠিক বিচারের আসায় ঘটনার দিন বিকেলে মুরাদনগর থানায় যাওয়ার পথে অভিযুক্ত কাশেমের ছেলে আক্তার হোসেন, স্থানীয় মাতব্বর হযরত আলী হর্জন, নুর ইসলাম ও মনির হোসেন তাদের কিছু টাকা দিয়ে বিষয়টি নিষ্পত্তি করার কথা বলে। আর যদি বিষয়টি নিয়ে বারাবারি করা হয় তাহলে পুরো পরিবারকে মেরে গ্রাম থেকে বেড় করে দেয়া হবে বলেও হুমকি দেয়া হয় তখন।

 

এ বিষয়ে মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সাদেকুর রহমান বলেন, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত কাশেম মিয়া পলাতক রয়েছে। অভিযুক্ত কাশেমসহ ওই ৪ জন বিচরককে ধরতে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

error: Content is protected !!