ঢাকাFriday , 30 July 2021
আজকের সর্বশেষ সবখবর

অবশেষে প্রভাব শালীদের চাপে দশদিন পর বাড়ি ফিরলেন দাওকাঠির ধর্ষিতা পুত্রবধূ মিম,

Link Copied!

জাহিদুল ইসলাম ///

ধর্ষন একটা সামাজিক ব্যাধি, হউক সেটা শিশু কিবা ৮০ বছরের বৃদ্ধা, দেশের প্রচলিত আইনে ধর্ষণের জন্য কঠোর শাস্তির বিধান থাকলেও অনেক সময় নানান জটিলতায় অপরাধীরা প্রভাব শালীদের হস্তক্ষেপে পার পেয়ে যাচ্ছেন অনাসেই, কেউ কেউ আবার লোকলজ্জার ভয়ে কিবা ভবিষ্যতের দিকে নজড় করে নিরবেই ঘুমরে ফিরছেন।

 

যে কারণে অপরাধীরা এ জগন্য ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে পার পেয়ে যাচ্ছেন। এমনই একটি জগন্য ঘটনা ঘটছে বাকেরগঞ্জ উপজেলায় রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডে, ঘটনা সূত্রে জানা যায় দাওকাঠির বাসিন্দা খালেক মুন্সি কতৃক তার ঔরসজাত সন্তান পলাশ মুন্সির স্ত্রী মিমকে একাধিক বার ধর্ষণ করে। বিষয়’টি নিরুপায় ধর্ষিতা গৃহবধূ এলাকার মেম্বার মোস্তফা সহ কয়েক জনকে জানালে বিষয় টি এলাকায় টপ অব দি ভিলেজে পরিনত হয়।

 

শুরু হয় নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড়, এমন পরিস্থিতিতে হঠাৎ করে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালীরা হঠাৎ করে ধর্ষিতা মিমকে নিজ বাড়ি থেকে সরিয়ে পার্শ্ববর্তী খালু হাকিম আলী হাওলাদার বাড়িতে নিয়ে গুম করে, নাটক সাজাতে শুরু করে। বিষয় টি ধামাচাপা দিতে পরিকল্পিত নকশা বাস্তবায়ন করতে থাকে। সংবাদ পেয়ে জাতীয় দৈনিক মুক্ত খবর ও অনলাইন নিউজ পোষ্টাল ভোরের কুমিল্লার বাকেরগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলাম ঘটনা স্থলে উপস্থিত হলে কৌশলে মিমকে সরিয়ে নেয়  চক্রটি,, এ বিষয় মেম্বার মোস্তফার সাথে কথা বললে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বিষয় টি সমাধান করা হবে বলে জানান, কিন্তু ধর্ষণের মত একটা জগন্য ঘটনা প্রশাসনকে না জানিয়ে কিভাবে সমাধান করা হবে জানতে চাইলে তিনি কোনো সৎ উত্তর দিতে সক্ষম হয়নি।

 

এমতবস্থায় বিকল্প কৌশলে ধর্ষিতা মিম সহ তার নিজস্ব লোকজনের জবান বন্ধী ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করে ধর্ষক খালেক মুন্সির বাড়িতে গিয়ে তাকে ঘটনা সম্পর্কে ব্যপক জিজ্ঞাসা করলে তিনি ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে, বিষয় টি মিটিয়ে দেবার জন্য প্রতিবেদককে আর্থিক প্রলবনে আকৃষ্ট করার জগন্য প্রচেষ্টা চালান, ওই মুহূর্তে তার পিক সংগ্রহ করে প্রতিবেদক চলে আসেন।

 

তার কিছু সময় পরেই সংবাদ পাওয়া যায়। স্থানীয় মেম্বার মোস্তফা, চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে লড়াই করা ভোটার শূন্য আওয়ামী লীগ নেতা হারুন হাওলাদার ও নানান অপকর্মের হোতা গোতা মামুন মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে ধর্ষিতাকে চাপে ফেলে বাধ্য করে মিমাংসা করে দেয়। আর ধর্ষক শ্বশুর কে সমাজের কাছে ক্ষমা চেয়ে বিষয় টি ধামাচাপা দেওয়ার পূর্ণ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেন। অবশেষে তাদের চাপে বাধ্য হয়ে ধর্ষিতা মিম বাড়িতে ফিরেছে।

 

এ বিষয় অনুসন্ধান কালে বেড়িয়ে পড়ে আরো ভয়াবহ তথ্য ধর্ষিতার স্বামী পলাশ মুন্সি ইতিপূর্বে মুলাদি, শ্যামপুর ও ফলাঘর কালীগঞ্জে মোট তিনটি বিবাহ করছেন, এর আগের স্ত্রীরাও একই ঘটনার স্বীকার হয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে গেছে, লোক লজ্জায় কারো কাছে বিষয় টি প্রকাশ হয়নি বলে বিশস্ত সূত্রে নিশ্চিত করে। এমন নেক্কার জনক ঘটনার মূল নায়ক শ্বশুরকে বাঁচতে চলছে প্রভাবশালী মহলের দেন দরবার, স্থানীয় প্রশাসন বিষয় টি জানা সত্বেও শুধু মাত্র অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলে কোনো ব্যবস্থা নেননি বলে জানান। এ বিষয় স্থানীয় সচেতন মহলের পক্ষ থেকে দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করে ধর্ষক শ্বশুর কে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির ব্যবস্থা নিতে জোর দাবি জানিয়েছেন।

error: Content is protected !!