বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১, ০৭:৫৩ অপরাহ্ন
ব্র্যাকিং নিউজ :
সাপাহারে গাঁজা সহ আটক-২ বিদ্যুৎ এর ভেলকিবাজিতে অতিষ্ঠ কুলাউড়াবাসী। বিশ্বনাথে ফ্রি অক্সিজেন উদ্বোধন করলেন, থানার ওসি বিশ্বনাথে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দগ্ধ দিনমজুরকে চিকিৎসা সহায়তা দিলেন ইউএনও খানসামায় জীবন সংগ্রামে নারী উদ্দোক্তা বাড়াতে ১নারী কসাইকে আর্থিক সহযোগিতা করলেন ইউএনও কসবা’র বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ করিম সাহেব আর নেই মহেশখালীতে অতি বৃষ্টিতে পাহাড় ধ্বস দেবীদ্বারে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান ; ৫ মামলায় ডেজার মেসিন ধ্বংস সহ ৫০ হাজার ৮৫০ টাকা জরিমানা দেবীদ্বারে শীঘ্রই ৩০বেডের করোনা ইউনিট চালু হচ্ছে টাকার অভাবে চোখের আলো নিভে গেছে নাহিদার চোখ উঠানোর টাকাও নাই তার পরিবারের কাছে

আজ গণতন্ত্রের মানসকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা’র কারাবন্দী দিবস।

সেলিম মাহবুব, ছাতক প্রতিনিধি //
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৬ জুলাই, ২০২১

সেলিম মাহবুব,ছাতকঃ
২০০৭ সালের ১৬ জুলাই এই দিনে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে ২০০৮’র ১১ জুন দেশের ছাত্র-জনতা, কৃষক-শ্রমিকের দাবির প্রেক্ষিতে সরকার তাঁকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।

 

১৬ জুলাই ভোর রাতেই যৌথবাহিনী শেখ হাসিনার ধানমন্ডির ৩২ নাম্বারের বাসভবন সুধা সদন ঘিরে ফেলে। এরপর তাকে গ্রেপ্তার করে নিম্ন আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়ার পর পরই শেখ হাসিনাকে সংসদ ভবন চত্বরে স্থাপিত বিশেষ কারাগারে নিয়ে বন্দি করে রাখা হয়।

 

গ্রেপ্তারের আগে তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি দুর্নীতির মামলা দায়ের করা হয়। ওইসব মামলায় দীর্ঘ ১১ মাস তাকে কারাগারে আটক রাখা হয়। ওই বিশেষ কারাগারের পাশেই সংসদ ভবন চত্বরে অস্থায়ী আদালত স্থাপন করে তার বিচার প্রক্রিয়াও শুরু করা হয়। এদিকে কারাবন্দি অবস্থায় শেখ হাসিনা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়েন। কারাগারের মধ্যেই তার চোখ, কানসহ বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা চলতে থাকে। গ্রেপ্তার হওয়ার প্রাক্কালে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য, বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানকে আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব দিয়ে যান।

 

ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জিল্লুর রহমানের নেতৃত্বে দলের নেতাকর্মীরা শেখ হাসিনার মুক্তি এবং নির্বাচনের দাবিতে সংগঠিত হতে থাকে। সরকার রাজনৈতিক কর্মকান্ড- নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেও জিল্লুর রহমানের নেতৃত্বে দলের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় সংগঠিত, প্রতিবাদ ও ধীরে ধীরে আন্দোলন গড়ে তোলে।

 

দলের সভাপতির অনুপস্থিতি ও প্রতিকূল পরিবেশ-পরিস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জিল্লুর রহমান নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখেন এবং নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। আবার কারাবন্দি অবস্থায় বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা নিজেও বার বার দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। তার আইনজীবী ও চিকিৎসকরা তার সঙ্গে দেখা করতে গেলে তাদের মাধ্যমে তিনি দলকে এ ব্যাপারে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে নেতাদের কাছে বার্তা পাঠান। অনেক ক্ষেত্রে বন্দি সভাপতি শেখ হাসিনার পরামর্শ নিয়েই দল পরিচালনা ও বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

 

এ সময় কারা অভ্যন্তরে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। তার উন্নত চিকিৎসার জন্য জরুরি অবস্থার মধ্যে আওয়ামী লীগ ও এর সব সহযোগী সংগঠনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও শ্রেণী-পেশার মানুষের পক্ষ থেকে তাকে বিদেশে পাঠানোর দাবি ওঠে। এক পর্যায়ে উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজনে ২০০৮ সালের ১১ জুন ৮ সপ্তাহের জামিনে মুক্তি দেয়া হয় কারাবন্দি আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে।

এই জাতীয় আরোও নিউজ দেখুন

ফেসবুকে আমরা আমাদের ফলোও করুন

© All rights reserved © 2018-2021 VORERCOMILLA.COM
ডিজানাইনার বাই এ,কে আজাদ
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!