মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১, ০২:৫৭ পূর্বাহ্ন
ব্র্যাকিং নিউজ :
সুনামগঞ্জের মধ্যনগরকে উপজেলা হিসেবে অনুমোদন দেওয়ায় আনন্দে ভাসছে মধ্যনগরবাসী খানসামা উপজেলায় লকডাউন বাস্তবায়ন ও বাজার মনিটরিং করছেন এসিল্যান্ড মারুফ হাসান ছাতকে লকডাউনের অযুহাতে সিএনজি- অটোরিকশা খাতে চলছে চরম নৈরাজ্য সাপাহারে কর্মহীন ও অস্বচ্ছল পরিবারে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ বিশ্বনাথে স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করায় অর্থদণ্ড RAB-5 এর অভিযানে গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার-১ অবশেষে র‌্যাবের অভিযানে সেই ধর্ষক সোহাগ গ্রেফতার  বিরামপুর পৌরসভায় করোনাকালীন বিশেষ ওএমএস কার্যক্রমের উদ্ধোধন করলেন-পৌর মেয়র আককাস আলী বিশ্বনাথে মাদক সম্রাট তবারক’ আলী গ্রেফতার বিশ্বনাথে প্রেমিকের হাত ধরে উধাও দুই সন্তানের জননী

ধর্মপাশা উপজেলা চেয়ারম্যানের কবজায় নৌ অ্যাম্বুলেন্স এর ইঞ্জিন।

ধর্মপাশা প্রতিনিধি, এম.এম.এ রেজা পহেল //
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১০ জুলাই, ২০২১

ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন রোকন তার কবজায় নিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নৌ অ্যাম্বুলেন্স এর ইঞ্জিন ও যন্ত্রাংশ। এদিকে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জানেননা অ্যাম্বুলেন্স এর ইঞ্জিন ও যন্ত্রাংশ কোথায় আছে।

 

জানা যায়, ২০১৯ সালের ২৫ জুন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন রোকন নৌ অ্যাম্বুলেন্সের ইঞ্জিন ও যন্ত্রাংশ মেরামত করে উপজেলা পরিষদের জনস্বার্থে ও সরকারি কাজে ব্যবহারের জন্য তৎকালীন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেন। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই দিনই হাসপাতালের গুদামরক্ষকের কাছ থেকে নৌ অ্যাম্বুলেন্সের ৪০ হর্স পাওয়ারের একটি ইয়ামাহা ইঞ্জিন, একসেট স্টেয়ারিং কেবল সেট, একসেট ইঞ্জিন চাবি, একটি তেলের লাইন ও একটি তেলের ট্যাংকি গ্রহণ করেন উপজেলা পরিষদের ড্রাইভার মো. মুখলেছুর রহমান জীবন। তবে এখন ড্রাইভার জীবনও জানেন না ইঞ্জিন ও যন্ত্রাংশ কোথায় আছে। উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের দাবি, তিনি নৌ অ্যাম্বুলেন্সের বডি (অবকাঠামো) সংগ্রহের পর মেরামত করে তা হাসপাতালে হস্তান্তরের জন্য ইঞ্জিন নিয়েছিলেন। কিন্তু দুই বছরেও তিনি তা মেরামত করে হাসপাতালে ফেরত দেননি। অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নৌ অ্যাম্বুলেন্সের ইঞ্জিনটি তিনি তার ব্যক্তিগত স্পিডবোটে ব্যবহার করছেন।

 

২০১১ সালের ১৬ আগস্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় থেকে ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একটি নৌ অ্যাম্বুলেন্স বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু চালক না থাকায় নৌ অ্যাম্বুলেন্স একদিনের জন্যও চলেনি। এ কারণে ১৬ লাখ টাকার নৌ অ্যাম্বুলেন্সটি হাসপাতাল সংলগ্ন শয়তানখালী খালের পাড়ে ফেলে রাখা হয়। সেখানে পড়ে থেকেই নষ্ট হয় এর অবকাঠামো। পরে এর ধ্বংসাবশেষ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে ফেলে রাখা হয়। কিন্তু নৌ অ্যাম্বুলেন্সের ইঞ্জিন ও যন্ত্রাংশ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গুদামে সংরক্ষণ করা হয়েছিল।

 

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এমরান হোসেন বলেন, ‘এ-সংক্রান্ত কোনো বিষয় আমি জানি না।’
উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন রোকন বলেন, ‘নৌ অ্যাম্বুলেন্সের ইঞ্জিন আমার কাছে নয়। আমার পরিষদেই আছে। রক্ষণাবেক্ষণের জন্য একটি বডি খুঁজছি। উপজেলা পরিষদের অর্থায়নে একটি বডি কিনে মেরামত করে এটি হাসপাতালে হস্তান্তর করা হবে।

 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুনতাসির হাসান বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে নৌ অ্যাম্বুলেন্সের ইঞ্জিন উদ্ধারের ব্যবস্থা করা হবে।

## এম এম এ রেজা পহেল।

এই জাতীয় আরোও নিউজ দেখুন

ফেসবুকে আমরা আমাদের ফলোও করুন

© All rights reserved © 2018-2021 VORERCOMILLA.COM
ডিজানাইনার বাই এ,কে আজাদ
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!