শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ১০:০৮ পূর্বাহ্ন
ব্র্যাকিং নিউজ :
ছাতক সিমেন্টকারখানায় ৮৯২ কোটি টাকার প্রকল্প টাকা আত্মসাৎ ও হরিলুটে বিশাল সিন্ডিকেট। গফরগাঁওয়ে ফেসবুকে আপত্তিকর পোষ্ট ভাইরাল হওয়ায় গলায় দড়ি দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা দোয়ারাবাজারে মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেনের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করোনায় জেলাপ্রশাসক রাজশাহীর বরাদ্দকৃত চাউল বাঘা পুজা উদযাপন পরিষদের মাধ্যেমে বিতরন ১ম দিনে চলমান লকডাউন বাস্তবায়নে সরেজমিন অভিযান তদারকি করেন-জেলা প্রশাসক ময়মনসিংহে রাষ্ট্র্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আলী হোসেনের দাফন সম্পন্ন সাপাহারে কঠোরতম বিধি-নিষেধ ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে প্রশাসনের অভিযান ছাতকে নামাজি শিশু-কিশোরদের মধ্যে বাইসাইকেল বিতরণ “লকডাউনে কঠোর অবস্থানে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা প্রশাসন” রাজশাহীতেও শুরু হয়েছে কঠোর বিধি-নিষেধ

বিশ্বনাথে পিতা পুত্রের বিরুদ্ধে প্রতারণা মামলা।

আবুল কাশেম, বিশ্বনাথ প্রতিনিধি //
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৩ জুলাই, ২০২১

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :: সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার চৌধুরীগাঁও গ্রামের বাসিন্দা, বিশ্বনাথ-জগন্নাথপুর রোডস্থ কালিগঞ্জ বাজার এলাকার ‘মেসার্স আল-আমিন ব্রিকর্স’ এর সত্বাধিকারী ইশাদ আলী ও তার পুত্র নাজমুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বিশ্বনাথ উপজেলার রগুপুর গ্রামের মদরিছ আলীর পুত্র ও ট্রাক পিকআপ কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন বিশ্বনাথ শাখার সভাপতি ফরিদ মিয়া বাদী হয়ে গত ৩০ জুন সিলেট সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৩য় আদালতে এই সিআর মামলাটি দায়ের করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযোগটি ৪০৬, ৪২০ ও ৫০৬ ধারায় এফআইআর করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে বিশ্বনাথ থানার ওসিকে নির্দেশনা প্রদান করেন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হারুনুর রশীদ। বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাদী পক্ষের আইনজীবী মো. খালেদ হোসেন।

 

তিনি জানান, প্রায় ১০ বৎসর যাবৎ ব্যবসায়িক লেনদেন থাকার সুবাদে অভিযুক্ত ইশাদ আলী ও নাজমুল ইসলামের সাথে মামলার বাদী ফরিদ মিয়া সু-সম্পর্ক ও বিশ্বাস গড়ে উঠে। তিনি ইট, কংক্রিট. বালু ও পাতরের ব্যবসায়ী হওয়ায় অভিযুক্তদের ইট বাট্রা হতে প্রতিনিয়ত ইট ক্রয় করে বিক্রি করা অবস্থায় ২০১৫ সালে তার কাছ থেকে কাচা ইট পুড়ানোর কথা বলে সাড়ে ৭ লক্ষ টাকা নেন। তখন কথা ছিলো- ওই টাকা ইট বাট্রায় ইট পুড়ানো কার্যক্রমের পুঁজি হিসেবে অভিযুক্তরা বিনিয়োগ করবেন এবং প্রতি বছর ফরিদ মিয়াকে নগদ টাকায় ব্যবসার সুবিধার্থে সর্ব প্রথম ইট বাট্রা হতে পাকা ইট প্রদান করিবেন। এমতাবস্থায় যদি বাদী অভিযুক্তদের সাথে তার ব্যবসা বন্ধ করে দেন সেক্ষেত্রে অভিযুক্তরা বাদীর পাওনা টাকা (সাড়ে ৭ লাখ) পরিশোধ করবেন।

 

শর্ত ভঙ্গ করায় গত ৮ জুন অভিযুক্তদের কাছে জামানতের পাওনা টাকা ফেরত চান বাদী ফরিদ মিয়া। তখন টাকা পরিশোধের জন্য এক সপ্তাহের সময় নেন অভিযুক্তরা। পবর্তীতের ১৬ জুন আবারও টাকা ফেরত চাইলে বাদীর উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন অভিযুক্তরা। তারা সরলতা ও বন্ধুত্বের সুযোগ নিয়ে অভিযুক্তরা বাদীর সাথে প্রতারণ করেন। এছাড়া বাদীর ফরিদ মিয়ার কাছ থেকে আরও ৭ লাখ টাকা কর্য নেন অভিযুক্ত ইশাদ আলী ও নাজমুল ইসলাম। ওই ৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে এনআই এ্যাক্টের ১৩৮ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন ফরিদ মিয়া। বিশ্বনাথ সি.আর মামলা নং- ১৬৮/২০২১ইং।

এই জাতীয় আরোও নিউজ দেখুন

ফেসবুকে আমরা আমাদের ফলোও করুন

© All rights reserved © 2018-2021 VORERCOMILLA.COM
ডিজানাইনার বাই এ,কে আজাদ
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!