বাঘায় পানির জন্য হা হা কার, দৈনন্দিন পানির সংকট

প্রকাশিত: ১০:০৪ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২৫, ২০২৪

সৌমেন মন্ডল, রাজশাহী ব্যুরোঃ

তীব্র তাপপ্রবাহে ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে গেছে। এতে রাজশাহী জেলার বাঘার বেশ কিছু এলাকার নলকূপে মিলছে না পর্যাপ্ত পানি। কোথাও কোথাও গভীর নলকূপেও পাওয়া যাচ্ছে না পর্যাপ্ত পানি। সুপেয় পানিসহ দৈনন্দিন পানির সংকট দেখা দেওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বাঘার বেশ কিছু এলাকায় হস্তচালিত নলকূপে ৬০ থেকে ৮০ ফুট পর্যন্ত বডিং করা করা হয়। চৈত্র-বৈশাখ মাসে অস্বাভাবিকভাবে নিচে নেমে যায় পানির স্তর। প্রতি বছর তীব্র তাপদাহে মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত এ অবস্থা আরও প্রকট আকার ধারণ করে। এতে বাঘা উপজেলার বলিহার, শ্রীরামপাড়া, হাজিপাড়া, মনিগ্রাম, আটঘড়ি,বিনোদপুর, হাবাসপুরসহ বেশ কিছু এলাকায় অগভীর নলকূপে পানি উঠছে না।

ভুক্তভোগীরা বলছেন, এসব অঞ্চলে পানি সংকট চরমে পৌঁছেছে। সুপেয় পানির সংকট দেখা দেওয়ায় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে নিম্ন আয়ের মানুষদের। যাদের সাবমারসিবল পাম্প কেনার মতো সামর্থ্য নেই।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্যমতে, জেলায় বর্তমানে প্রায় ২০ হাজার ৭৫০টি টিউবওয়েল চালু রয়েছে। সাবমারসিবলযুক্ত টিউবওয়েল (উচ্চ জলধারাসহ) রয়েছে ১৯০টি। তবে সাধারণ টিউবওয়েলের ও সাবমারসিবল এর সঠিক হিসেব পাওয়া যায়নি।

উপজেলার বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা যায় বেশ কিছু জায়গা উঁচু হওয়ায় গ্রীষ্ম মৌসুমে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যায়। এতে করে অচল হয়ে পড়ে নলকূপ। সংকট দেখা দেয় পানির। হাজারো পরিবারে পানি সংকটে সৃষ্টি হয়েছে ভোগান্তি। পানির জন্য ছুটতে হচ্ছে দূরদূরান্ত।

মনিগ্রাম ৪নং ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বলেন, ইউনিয়নের বেশ কিছু গ্রামে পানির সংকট দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে চৈত্র-বৈশাখ মাসে পানির সমস্যা দেখা দেয়। এজন্য আমরাও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা বলেছি। কীভাবে এ সমস্যা উত্তরণ করা যায় তা নিয়ে কাজ করছি।