১১ জুন কেবল জননেত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস নয়, গণতন্ত্রেরও মুক্তি দিবস: জননেতা তারেক শামস খান হিমু

প্রকাশিত: ১০:০৪ পূর্বাহ্ণ, জুন ১১, ২০২৪

কাজী মোস্তফা রুমি: আজ ১১ জুন, আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস। ২০০৮ সালের এদিনে তিনি সংসদ ভবন চত্বরে তৎকালীন ১/১১ সরকারের স্থাপিত বিশেষ কারাগারে দীর্ঘ ১১ মাস কারাভোগের পর মুক্তি লাভ করেন।

এর আগে ১/১১-এর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বিভিন্ন ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে বাংলার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকারকে অবরুদ্ধ করার অপপ্রয়াস চালায় তৎকালীন সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার।

তাই আজকের এই ঐতিহাসিক কারামুক্ত দিবসে দেশের মানুষের ভোট ও ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠায় গণতন্ত্রের মানসকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র ত্যাগ ও সংগ্রামকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেছেন দক্ষিণ টাঙ্গাইলের আওয়ামী রাজনীতির অন্যতম কিংবদন্তী, ৯০’র স্বৈরাচার বিরোধী গণ আন্দোলনে রাজপথ কাঁপানো নাগরপুর দেলদুয়ারের গণমানুষের জনপ্রিয় নেতা, স্বাধীনতা পরবর্তী দক্ষিণ টাঙ্গাইলের লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণের দাবি ধলেশ্বরী সেতু বাস্তবায়ন আন্দোলনের একমাত্র সফল রূপকার, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ টাঙ্গাইল জেলা শাখার সংগ্রামী সহ-সভাপতি জননেতা তারেক শামস খান হিমু

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র ঐতিহাসিক কারামুক্ত দিবস উপলক্ষে এক বিশেষ বার্তায় জননেতা তারেক শামস খান হিমু গণমাধ্যমকে বলেন- আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ২০০৮ সালের এই দিন দীর্ঘ ১১ মাস কারাভোগের পর মুক্ত হন। এ দিনটি প্রকৃতপক্ষে শুধু শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস নয়, গণতন্ত্রেরও মুক্তি দিবস। কারণ, তিনি সারা জীবন ধরে গণতন্ত্রের জন্য ও মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম করেছেন। ২০০৭ সালে যেদিন বঙ্গবন্ধুকন্যাকে বন্দী করা হয়েছিল, সে‌ দিন শুধু তাঁকেই নয়, গণতন্ত্রকেও বন্দী করা হয়েছিল।

আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য সহযোগী সংগঠন ও গণতন্ত্র প্রত্যাশী দেশবাসীর ক্রমাগত অপ্রতিরোধ্য আন্দোলন, আপসহীন মনোভাব ও অনড় দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৮ সালের আজকের এই দিনে তৎকালীন সেনা সম্পর্কিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হন।
বঙ্গবন্ধুকন্যার মুক্তির মধ্য দিয়ে দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে আসে।

যুগপৎভাবে বিকাশ ঘটে গণতন্ত্র ও উন্নয়নের। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হারানো স্বপ্ন ও সোনার বাংলা বাস্তবায়িত হচ্ছে আজ তার সুযোগ্য কন্যার নেতৃত্বে। দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় বাবার মতো আপসহীন মনোভাব নিয়েই জাতীয় রাজনীতিতে শেখ হাসিনার যাত্রা শুরু হয়।

তাই বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ও সাধারণ মানুষের ভোট এবং ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র ত্যাগ ও সংগ্রাম থেকে শিক্ষা নিয়ে একটি স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের ক্ষেত্রে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানাই।